• ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৯ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Protest

কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়ির সামনে তীব্র বিক্ষোভ! নেতা-মন্ত্রীদের ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয়রা

বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে এখনও থামেনি উত্তেজনা। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে নাবালিকাকে অপহরণ, যৌন নির্যাতন এবং হত্যার অভিযোগে তদন্ত এগোচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও চলমান এবং ঘটনার পূর্ণ সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে একের পর এক রাজনৈতিক প্রতিনিধি সেখানে পৌঁছন। তাঁদের অনেককেই স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর আগেই সকালে সেখানে পৌঁছন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবেই তাঁরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আরও দুই সাংসদও সেখানে পৌঁছন।এর কিছু পরেই বারুইপুরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিউলি সাহা, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং সায়নী ঘোষ। নির্যাতিতার বাড়ির সামনে পৌঁছতেই স্থানীয়দের একাংশ তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। বিশেষ করে সায়নী ঘোষকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার দুদিন পরে কেন তিনি এলাকায় এলেন। বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা প্রশ্ন তোলেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সায়নী ঘোষ বলেন, ঘটনার পিছনে বৃহত্তর কোনও চক্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।পরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সঙ্গীদেরও প্রথমে আটকে দেওয়া হলেও পরে তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁরা পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

হাজারো মানুষের জমায়েতের পরেই পাল্টা আক্রমণ! ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা নীতীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচির পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সংগঠনের ডাকে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতেই দলটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন।শনিবার রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নীতীন বলেন, দেশের যুবসমাজ নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে চায়। কিন্তু কিছু মানুষ তরুণ প্রজন্মকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক চিন্তা ও গঠনমূলক কাজের পথেই এগোবে।নাম না করেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিকেও ইঙ্গিত করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বিদেশে বসে কয়েক জন মানুষ মনে করছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজের চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু দেশের তরুণ প্রজন্ম কারও হাতের পুতুল নয়।নীতীন আরও বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করার কোনও প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের পরিশ্রমের ফলেই দেশে বিপুল সংখ্যক নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যে ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন দেখা গিয়েছে, সেই পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি সামনে আনা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে আরও স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।শনিবারের কর্মসূচিকে ঘিরে প্রথমে নানা জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়। শুধু অনুমতিই নয়, কর্মসূচি ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। অভিজিৎ দীপক ভারতে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে যে জল্পনা চলছিল, তাও বাস্তবে দেখা যায়নি। বরং কর্মসূচি চলাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক কর্মসূচি এবং তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হওয়া নতুন বিতর্ক এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সিএএ আন্দোলনের আগুন এবার ফিরল ফাইলে! পুরনো মামলা খুলে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের সম্পত্তি নষ্ট, ট্রেনে আগুন লাগানো এবং পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগে এবার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো মামলার ফাইল খুলে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের রাজ্য সফরের দিনই এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তদন্তে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকটি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় রেলের বহু সম্পত্তি। এর জেরে বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে বাধ্য হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ভারতীয় রেল।নবান্নে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীকে ভবানীপুরে রেল সুরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ দপ্তর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সেখানে বসেই পুরনো নথি, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, শুধু অভিযুক্তদের চিহ্নিত করাই নয়, রেলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাঁদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।রেল আইনে রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা, ভাঙচুর চালানো বা পরিষেবা ব্যাহত করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই বহু বছর পর এই মামলাগুলির তদন্ত ফের শুরু হওয়ার খবরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ! কালো শাড়ি, হাঁড়ি-কড়াই হাতে মহিলারা রাস্তায়

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তৃণমূল কংগ্রেস অভিনব প্রতিবাদে নামল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে রবিবার ধর্মতলা ও বিভিন্ন স্থানে তৃণমূলের নেত্রী-কর্মীরা হাতে হাঁড়ি, কড়াই, হাতা-খুন্তি ও বাসনপত্র নিয়ে মিছিলে অংশ নেন। মহিলারা কালো শাড়ি পরে প্রতিবাদ জানালেন। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চেও দেখা গেছে গ্যাস সিলিন্ডারের কাটআউট এবং বাসনপত্র নিয়ে মন্ত্রীরা শশী পাঁজা ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দেশের কেন্দ্রীয় সরকার রান্নার গ্যাসের দাম সিলিন্ডার প্রতি প্রায় ৬০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর প্রতিবাদে তিনি মহিলাদের পথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নো গ্যাস নো রান্না, অর্থাৎ গ্যাস না থাকলে রান্না সম্ভব নয়। তাই মহিলারা কালো শাড়ি পরে হাতা, হাঁড়ি, কড়াই নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেবেন।মমতা আরও বলেছেন, মহিলাদের ভোট কেটেছে বা তারা সংখ্যালঘু, জনজাতি, তফসিলি হোক, সব ধরনের মানুষ রাস্তায় নামুক এবং মানবিকভাবে প্রতিবাদ জানাক। তিনি বলেন, আইনজীবীরা যেভাবে কালো কোট পরে কোর্টে যান, ঠিক সেইভাবে মহিলারা কালো শাড়ি পরে প্রতিবাদে অংশ নিন। নিজে তিনি সাদা শাড়ি পরে মিছিলে উপস্থিত থাকবেন।এই প্রতিবাদ কর্মসূচি রাজ্যের মহিলা ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
কলকাতা

নাম কাটা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ, নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করে অনড় বামেরা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন সেলিম-মীনাক্ষীরা

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে রাতভর অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন বাম নেতারা। সিইও-র সঙ্গে সরাসরি দেখা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।বুধবার টি বোর্ডের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে সিইও দফতরের দিকে এগিয়ে যান বামফ্রন্টের নেতারা। মিছিলে হাঁটেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, নেতা সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্যান্যরা। তাঁদের অভিযোগ, চক্রান্ত করে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।সিইও মনোজ আগরওয়াল-এর হাতে সরাসরি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানালেও তিনি দেখা করেননি বলে দাবি বাম নেতৃত্বের। অধস্তন আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে বলা হলেও তাতে রাজি হননি তাঁরা। সেলিমদের স্পষ্ট কথা, স্মারকলিপি সিইও-কেই দিতে হবে। এরপরই দফতরের বাইরে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নেন নেতা-কর্মীরা।রাতভর কালো ত্রিপল পেতে রাস্তাতেই কাটান তাঁরা। আন্দোলনে সামিল ছিলেন ক্যাপ্টেন নামে পরিচিত মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বৈধ ভোটারের নাম কেটে কমিশন পার পাবে না। একদিকে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাবে, অন্যদিকে অফিসাররা বহাল তবিয়তে থাকবেন এমনটা হতে পারে না।এই অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দেন এভারেস্টজয়ী পিয়ালী বসাক-ও। তাঁর কথায়, জনগণের করের টাকায় বেতন পান কমিশনের আধিকারিকরা। অথচ সাধারণ মানুষের নামই যদি তালিকা থেকে বাদ পড়ে, তা হলে তা মেনে নেওয়া যায় না। পাঁচ বছর ধরে করের টাকায় কী কাজ হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।বাম নেতৃত্বের দাবি, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার যে কোনও চেষ্টা রুখে দেওয়া হবে। যতক্ষণ না সিইও-র সঙ্গে সরাসরি কথা হচ্ছে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে বলেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে তাই এখনও জারি রয়েছে ধরনা। পরিস্থিতির দিকে নজর রয়েছে প্রশাসনেরও।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, গর্ভস্থের মৃত্যুকে ঘিরে শিলিগুড়িতে বিস্ফোরণ, টিয়ার গ্যাসে থামল বিক্ষোভ

এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল শিলিগুড়ি। অভিযোগ, এক সিভিক ভলান্টিয়রের মারধরের জেরে গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং জলকামান ব্যবহার করে। মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হয়। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় আগে থেকেই বিপুল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবু বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে এগোতে থাকেন বলে অভিযোগ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তেইশে ডিসেম্বর ফাঁসিদেওয়ায় জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তির সময় এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এক সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। পরে গত নয় জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও আরও চারজন অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি বলে জানা গিয়েছে।অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেন বহু আদিবাসী মানুষ। এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কর্মসূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা ছিল, তাই পুলিশও প্রস্তুত ছিল। তবু পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

লোহার ব্যারিকেড বনাম বেগুনি আন্দোলন, উত্তাল স্বাস্থ্য ভবন

স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অনড় আন্দোলনে গর্জে উঠেছেন আশা কর্মীরা। বকেয়া ভাতা মেটানো, ন্যূনতম মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা-সহ একাধিক দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ চলছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার আশা কর্মী রাস্তায় নেমে নিজেদের দাবি জানাচ্ছেন। আন্দোলনের মধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।এই আন্দোলনের আগেই আশা কর্মীদের সতর্ক করেছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আশা কর্মীদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই ফাঁদে পা না দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক স্বার্থে হয়তো তাঁদের দিয়ে আওয়াজ তোলানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শুনেছেন রাজনৈতিক কারণে চাঁদাও দেওয়া হতে পারে, যদিও বিষয়টি তিনি নিশ্চিত নন। তবে তাঁর প্রশ্ন, রাজ্য সরকার এত কিছু দেওয়ার পরেও কেন শুধু রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই আওয়াজ উঠছে, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কেন নয়।এই মন্তব্য ঘিরে পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, আশা কর্মীদের আটকাতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে লোহার ব্যারিকেড তোলা হয়েছে। তাঁর দাবি, লোহার প্রাচীরের আড়ালে সরকার বেশিদিন লুকিয়ে থাকতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত মানুষই সরকারকে টেনে রাস্তায় নামাবে।এই আন্দোলনে রাজ্যজুড়ে প্রায় ৮০ হাজারের বেশি আশা কর্মী রাস্তায় নেমেছেন বলে দাবি সংগঠনের। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে এসইউসিআই-এর শ্রমিক সংগঠন এআইইউটিইউসি-র পোস্টার। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক অশোক দাস জানান, রাজনীতির ফাঁদে পা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। তাঁর কথায়, সরকার রাজনীতিকে শুধু ভোটের হিসেবেই দেখে। কিন্তু সমাজের ভালোর জন্য যে আন্দোলন, সেটাই প্রকৃত রাজনীতি।অশোক দাস আরও বলেন, স্বাস্থ্য সচিব নিজেই ২১ তারিখে আলোচনার জন্য ডাক দিয়েছিলেন। সেই তারিখ মেনেই আশা কর্মীরা কলকাতায় এসেছিলেন। কিন্তু এখন সরকার বলছে তাঁরা রাজনীতি করছেন। তাঁর দাবি, গোটা বাংলার আশা কর্মীরা এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের হতে পারেন, কিন্তু কয়েকটি ন্যায্য দাবিতে সবাই একজোট হয়েছেন।আশা কর্মীদের কাজের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আশা কর্মীদের কার্যত ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। রাতের যে কোনও সময় ফোন এলেই সন্তানসম্ভবা মাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতে হয়। অথচ তাঁদের মাসিক ভাতা মাত্র ৫২৫০ টাকা। এত কম টাকায় এই কঠিন দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয় বলেই দাবি। শুধু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ নয়, ভোট, মেলা, খেলা বা পরীক্ষার সময়ও তাঁদের দিয়ে নানা দায়িত্ব করানো হয় বলেও অভিযোগ। এই কারণেই দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে নিয়ে এই আন্দোলন চলছে বলে জানান তিনি।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

রাজপথ জুড়ে বেগুনি ঝড়! আশা আন্দোলনে উত্তাল কলকাতা

রাজপথ জুড়ে আজ বেগুনি রঙের ঢেউ। আশা কর্মীদের বিক্ষোভে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাতভর ট্রেনে চেপে কলকাতার দিকে রওনা দেন আশা কর্মীরা। স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ছিল তাঁদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি। কিন্তু সেই কর্মসূচিকে ঘিরেই আরও এক লজ্জার ছবি দেখল শহর।রাতভর যাত্রা করেও বহু আশা কর্মী অভিযান তো দূরের কথা, গন্তব্য স্বাস্থ্য ভবন পর্যন্ত পৌঁছতে পারলেন না। শিয়ালদহ স্টেশনেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। প্ল্যাটফর্মে বসেই অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। অন্যদিকে, যাঁরা কোনওভাবে স্বাস্থ্য ভবনের কাছে পৌঁছেছিলেন, তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিল পুলিশের তৈরি লোহার ব্যারিকেড। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি।বিক্ষোভকারীদের জন্য খাবার পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে সেই খাবার গ্রহণ করেননি আশা কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, শুভেন্দু নিজে এসে তাঁদের কথা শুনুন। এখনও পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভস্থলে আসেননি। তবে তিনি সামাজিক মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, বর্বরোচিত সরকার। অমানবিক প্রশাসন। গণতন্ত্র বিপন্ন। মাতৃশক্তি লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত। অধিকার চাইলে রাজদ্রোহের তকমা দেওয়া হচ্ছে। এমন দমন-পীড়ন ইংরেজ আমলেও ছিল না।এদিকে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে গো ব্যাক স্লোগানের মুখে পড়তে হয়। অন্যদিকে সকালে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আশা কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে। তবে রাজনৈতিকভাবে কেউ যদি তাঁদের ব্যবহার করতে চায়, তাহলে সেই ফাঁদে পা না দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে কারও কাছে চাঁদা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি শুনেছেন, যদিও বিষয়টি নিশ্চিত নন।সব মিলিয়ে আশা কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে রাজপথে উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাতা বাড়েনি, বকেয়া মেলেনি! স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ফের বিস্ফোরণ আশা কর্মীদের

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় আশা স্বাস্থ্যকর্মীরা। বুধবার তাঁদের বিক্ষোভের ঢেউ আছড়ে পড়ল স্বাস্থ্য ভবনের সামনে। মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, ডেটা প্যাকের ব্যবস্থা, বকেয়া টাকা মেটানো এবং চাকরির নিশ্চয়তার দাবিতে আবারও পথে নামলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আশা কর্মীরা। গত কয়েক মাস ধরেই দফায় দফায় আন্দোলনে শামিল হচ্ছেন তাঁরা। কলকাতার রাজপথে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ছবিও বারবার সামনে এসেছে। এদিনও স্বাস্থ্য ভবনের সামনে উত্তেজনার ছবি দেখা যায়।এদিন স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল আশা কর্মীদের। তবে দাবি মানা না হওয়ায় বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়। বর্তমানে একজন আশা কর্মী মাসে মাত্র ৫২৫০ টাকা ভাতা পান বলে জানান পশ্চিমবঙ্গ আশা স্বাস্থ্য কর্মী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা। তাঁর দাবি, সারা দেশের নিরিখে ন্যূনতম মজুরি হওয়া উচিত ২৬ হাজার টাকা। সেই হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ১৫ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। পাশাপাশি বকেয়া টাকা কিস্তিতে নয়, একসঙ্গে মিটিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চাকরির স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।সংগঠনের নেত্রীদের বক্তব্য, কাজ করতে গিয়ে কোনও আশা কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। সরকার যে মোবাইল দিয়েছে, তার জন্য ন্যূনতম সাড়ে তিনশো টাকার ৫জি ডেটা প্যাক দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং দ্রুত বকেয়া মেটানোর দাবিও তুলেছেন তাঁরা।এদিকে এদিন জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আশা কর্মীরা কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিতেই পুলিশের বাধার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক জায়গায় হোম অ্যারেস্ট করার অভিযোগও সামনে এসেছে। স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে যাওয়ার পথে দুর্গাপুরে পৌর স্বাস্থ্যকর্মী কন্ট্রাকচুয়াল ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক কেকা পালকে মহিলা থানায় আটক করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে আশা কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
বিদেশ

খামেনেই বলেছিলেন ১ হাজার, রিপোর্ট বলছে ১৬ হাজার! ইরানে মৃত্যুমিছিল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই দাবি করেছেন, দেশজুড়ে চলা গণবিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র যে আরও ভয়াবহ, তা উঠে এসেছে একটি সাম্প্রতিক রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানে বিক্ষোভ দমনের নামে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ হাজার ৫০০ মানুষ। আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি নাগরিক।মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস ইরানের একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বর্ণনা করা হয়েছে খামেনেই সরকারের নির্মম দমননীতির কথা। ইরানের এক চিকিৎসক আমির পারাস্তা জানিয়েছেন, বিক্ষোভের শুরুতে নিরাপত্তা বাহিনী রবার বুলেট ব্যবহার করছিল। কিন্তু পরে খামেনেইয়ের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার শুরু হয়। দেখা মাত্রই আন্দোলনকারীদের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। রাইফেল ও মেশিনগানের গুলিতে বহু মানুষের মাথা, বুক ও কাঁধ ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে। রক্তে ভিজে যাচ্ছে রাজপথ।ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হলেও এলন মাস্কের স্টারলিঙ্কের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন অনেকে। সেই পথেই ওই চিকিৎসক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞ আমির পারাস্তার দাবি, গুলির আঘাতে চোখ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ থেকে এক হাজার মানুষ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজারের মধ্যে। নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও রয়েছেন।হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। রক্তের অভাবে বহু আহতের মৃত্যু হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও থামেনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযান।মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাঙন, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং কট্টর ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেই ক্ষোভই এবার রাস্তায় নেমে এসেছে। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই অভিযোগ উঠেছে, বিক্ষোভ দমাতে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।এর আগে আমেরিকার মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ দাবি করেছিল, ইরানে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। তবে নতুন এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসি কি শেষমেশ স্থগিত? ট্রাম্পের বার্তায় নতুন মোড় ইরান সংকটে

বিদ্রোহের আগুনে এখনও জ্বলছে ইরান। সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। এই আবহেই আমেরিকা থেকে একের পর এক হুমকি দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের সতর্কবার্তার পর বুধবার হঠাৎই বড় ঘোষণা করলেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করা হয়েছে।বুধবার ১৪ জানুয়ারি ইরানে ২৬ বছরের যুবক এরফান সলতানির ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন এবং সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খোমেইনির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। তবে নরওয়ের একটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইরান প্রশাসন আপাতত বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।সম্প্রতি ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ, গুলি চালানো এবং হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের মতে, এই দমন-পীড়নে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২৬০০ ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই ট্রাম্প দাবি করেন, সেই হত্যালীলা এখন থেমেছে।বুধবার ট্রাম্প বলেন, আমরা খবর পেয়েছি যে ইরানে খুন বন্ধ করা হয়েছে। আর কোনও হত্যা বা ফাঁসি হবে না। গত কয়েকদিন ধরে গোটা বিশ্ব এই বিষয়টি নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিল।তবে প্রশ্ন উঠেছে, যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে কোনও কূটনৈতিক যোগাযোগ নেই, তখন এই খবর ট্রাম্প পেলেন কীভাবে? এই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে এই তথ্য পেয়েছেন। তবে সেই সূত্র কী, তা প্রকাশ করেননি তিনি।ট্রাম্প আরও বলেন, এখন আমরা অপেক্ষা করব এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখব। হোয়াইট হাউস ইরানের দিক থেকে ইতিবাচক বার্তা পাচ্ছে।অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাহচি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। তাঁর কথায়, ফাঁসিতে ঝোলানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই ধরনের শাস্তির প্রশ্নই ওঠে না।তবে বাস্তবে পরিস্থিতি কতটা বদলাচ্ছে, তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে! যে কোনও মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় যে কোনও মুহূর্তে ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি।গত বছরের শেষ দিকে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ থেকেই ইরানে এই আন্দোলনের শুরু। মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যেই তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় নেমেছেন প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লক্ষ মানুষ। সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকার কড়া দমন নীতি নিয়েছে বলে অভিযোগ।দেশ জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় ব্ল্যাকআউট জারি রয়েছে। বিমান পরিষেবাও কার্যত বন্ধ। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাইরের দুনিয়ার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। সেখানে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। প্রয়োজন হলে কীভাবে তাঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সেই বিষয়েও পরিকল্পনা শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।এদিকে নরওয়ের একটি বেসরকারি সংগঠন রবিবার একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, বিক্ষোভ ও সরকারি দমন-পীড়নের জেরে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এছাড়াও ইরানের বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্র ও ত্রাণ শিবিরে হামলার খবর সামনে এসেছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ অবস্থায় রয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

শান্তনুর মন্তব্যে আগুন মতুয়া সমাজে, রাস্তায় নামছে মহাসঙ্ঘ

মমতা ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের ডাকা অবরোধ কর্মসূচিকে মান্যতা দিতে নারাজ শান্তনু ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। শান্তনু ঠাকুরের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুখেন্দ্রনাথ গাইন বলেন, মমতা ঠাকুরের ডাকা কর্মসূচির সঙ্গে প্রকৃত মতুয়াদের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই এই ধরনের আন্দোলনের পথে হাঁটা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের একটি মন্তব্য ঘিরে গত শুক্রবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি। মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীদের সঙ্গে শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীদের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ঠাকুরবাড়ি চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।শান্তনু ঠাকুরের দাবি, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা কেন এই ধরনের মন্তব্য করা হল, তার ব্যাখ্যা চাইতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সেই সময়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, মমতাবালা ঠাকুরের এক অনুগামীকে মাটিতে ফেলে কিল, চড়, লাথি ও ঘুষি মারা হয়। ওই ব্যক্তি শরীরের একাধিক জায়গায় চোট পান। এই ঘটনার পর মতুয়া সমাজে ক্ষোভ আরও বাড়ে।প্রসঙ্গত, সোমবার শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ৫০ লক্ষকে আটকাতে যদি ১ লক্ষ মতুয়া ভোট না দিতে পারে, সেটাও মেনে নিতে হবে। এই মন্তব্য ঘিরেই মতুয়া সমাজে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। সেই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতেই ঠাকুরবাড়িতে হাজির হয়েছিলেন মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা। তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনার প্রতিবাদেই ফের রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে মমতা ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া গোঁসাইদের মারধরের প্রতিবাদ এবং এসএআর তালিকায় মতুয়াদের নাম বাদ না যাওয়ার দাবিতে এই কর্মসূচি করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে বৈঠক করে মমতা ঠাকুরের সংগঠন। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চৌধুরী জানান, আগামী ৫ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
কলকাতা

বাংলাদেশ ইস্যুতে বিক্ষোভ, পুলিশের দাবি খারিজ করে জামিন দিল আদালত

বাংলাদেশে দীপু হত্যার প্রতিবাদের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছিল কলকাতাতেও। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শহর। সেই ঘটনার জেরে গ্রেফতার হওয়া ১২ জন বিক্ষোভকারীকে শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে জামিন দিল আলিপুর আদালত। তিন হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।এই ঘটনায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এর মধ্যে সাত জন আগেই জামিন পেয়েছিলেন। শুক্রবার বাকি ১২ জনের জামিন মঞ্জুর হওয়ায় এই মামলায় ধৃত সকলেই আপাতত মুক্তি পেলেন।মঙ্গলবার বেকবাগানে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনের অফিসের সামনে তীব্র বিক্ষোভ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে কুশপুতুল পুড়িয়ে ছুড়ে মারেন। এই ঘটনায় আট জন পুলিশকর্মী আহত হন। হাই কমিশনের বাইরে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে পুলিশের অভিযোগ।এই ঘটনার পর মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। সেদিন আদালত ১২ জন পুরুষ অভিযুক্তকে দুদিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। শুক্রবার ফের তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়।এদিন আদালতে পুলিশ ১২ জন অভিযুক্তের ১২ দিনের পুলিশি হেফাজত চায়। পুলিশের দাবি ছিল, ধৃতদের সঙ্গে কোনও আন্তর্জাতিক যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সরকারি আইনজীবী জানান, তদন্তে ইতিমধ্যেই ১১ জন সাক্ষীর বয়ান সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার প্রমাণ হিসেবে ইনজুরি রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছে।সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য, বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা জরুরি। তাঁর দাবি, একই সংগঠন ফের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। এতে আবার অশান্তি ছড়ালে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব পড়তে পারে। পুলিশকে এমনভাবে মারধর করা হয়েছে যে, হাসপাতালে থেকে ছাড়া পেলেও চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা এখনই কাজে যোগ দিতে পারবেন না।তিনি আরও জানান, হাই কমিশনের বাইরে গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং কুশপুতুল পুড়িয়ে পুলিশের দিকে ছুড়ে মারা হয়েছে। সেদিন একই ঘটনা হাই কমিশনের ভিতরেও ঘটতে পারত বলেও আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এমনকি শুক্রবারও একই সংগঠন ফের কর্মসূচিতে নেমেছে বলে দাবি করে পুলিশ।অন্যদিকে অভিযুক্তদের আইনজীবী আদালতে বলেন, খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করা হলেও তার স্বপক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দুদিনের তদন্তে খুনের চেষ্টার কোনও প্রমাণ আদৌ পুলিশ পেয়েছে কি না।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ১২ জন অভিযুক্তকে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য চিত্র! চার হাজার ডলারের টিকিট নেমে এল প্রায় এক তৃতীয়াংশে, আসল কারণ জানলে চমকে যাবেন

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব মানেই সাধারণত টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে একেবারে উল্টো ছবি। কয়েক দিন আগেও যে টিকিটের দাম প্রায় চার হাজার মার্কিন ডলার ছুঁয়েছিল, এখন সেই টিকিটের দাম অনেকটাই কমে গিয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে অনেক ফুটবলপ্রেমীরই প্রশ্ন, হঠাৎ কেন এমন হল?টিকিট বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ও বেলজিয়ামের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের দাম প্রায় দুই হাজার নয়শো পঞ্চাশ মার্কিন ডলার থেকে নেমে প্রায় এক হাজার দুইশো ডলারে এসেছে। অনেকের মতে, আয়োজক দেশ আমেরিকা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারলে টিকিটের চাহিদা এবং দাম দুটোই অনেক বেশি থাকত। কিন্তু শেষ ষোলোয় বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।পর্তুগালের বিদায়ও টিকিট বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। স্পেনের কাছে হেরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দল ছিটকে যাওয়ায় সম্ভাব্য বড় আকর্ষণের ম্যাচ আর হচ্ছে না। ফলে দর্শকদের আগ্রহও কমেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে ফ্রান্স ও মরক্কোর কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের টিকিট চারটি ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এই ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য এক হাজার ডলারেরও কম।এর আগেও আমেরিকা ও বেলজিয়ামের শেষ ষোলোর ম্যাচের টিকিটের দাম ওঠানামা করেছিল। একসময় সেই ম্যাচের টিকিটের মূল্য চার হাজার মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছলেও পরে তা অনেকটাই নেমে আসে। আমেরিকা শেষ ষোলোয় ওঠার পর কিছু সময়ের জন্য দাম বাড়লেও পরে আবার কমতে শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যেই টিকিটের মূল্য প্রায় এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় তারকা এবং জনপ্রিয় দলগুলির বিদায় টিকিটের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। ব্রাজিল, পর্তুগাল এবং আয়োজক আমেরিকার বিদায়ের পর অনেক দর্শক আর মাঠে যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কানাডার বিদায়ের পরও সংশ্লিষ্ট ম্যাচের টিকিটের দাম কমে যায়।তবে এখনও অনেকের বিশ্বাস, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা যত এগোবে, ততই বিশ্বকাপে আবার দর্শকদের আগ্রহ বাড়বে। ফুটবলপ্রেমীদের আশা, মেসির ম্যাচ ঘিরেই আবার গ্যালারি ভরে উঠবে এবং টিকিটের চাহিদাও নতুন করে বাড়বে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বারুইপুরের পর ফের পুকুর থেকে দেহ উদ্ধার! কলকাতায় রহস্য ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য

খাস কলকাতায় ফের রহস্যজনক দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকালে পর্ণশ্রী থানার অধীন ইউনিক পার্ক এলাকার একটি পুকুর থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরে দেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিদ্যাসাগর হাসপাতালে পাঠায়।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি এলাকার বাসিন্দা নন। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের সন্দেহ, ওই ব্যক্তিকে অন্য কোথাও খুন করার পর দেহটি এনে এই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।গত কয়েক দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জলাশয় থেকে দেহ উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার বারুইপুরে পুকুর থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তার পর সোমবার অশোকনগরের একটি জলাশয় থেকেও এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার বেহালা এলাকায় পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের পরিচয়, মৃত্যুর কারণ এবং এর পিছনে কোনও অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত চলছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মমতা! নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড়, তোলপাড় রাজনীতি

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের ডাকা মিছিল ঘিরে হাজরায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হলেও কিছু দূর এগোতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির সামনে তখন বিপুল ভিড় জমে যায়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সামনে থাকা নিজের দলের এক কর্মীকে সপাটে চড় মারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা থামাতে আরও কয়েকজন কর্মীকেও ধাক্কা ও চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।মিছিল চলাকালীন এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ, একদিকে চোর চোর স্লোগান ওঠে, অন্যদিকে রাস্তার পাশ থেকে কটাক্ষ করে গান বাজানো হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, তাদের একাধিক কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন।ঘটনার পর বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছেন এবং সেই কারণেই এমন আচরণ করছেন। যদিও এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই ছাত্র ও যুবরা মিছিল করেছে এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সকলের রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখারও দাবি জানান।বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের এক ঘোষণায় চাপে ভারত? তুরস্ককে যুদ্ধবিমান দেওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। তুরস্কের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, তুরস্ককে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের বৈঠকে ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে। তিনি স্পষ্ট জানান, তুরস্কের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং যুদ্ধবিমান দেওয়ার বিষয়েও ইতিবাচকভাবে ভাবা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পর তুরস্কের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিরই এবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সামরিক প্রকল্পে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে। ফলে তুরস্কের হাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি এলে ভবিষ্যতে তার প্রভাব পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বহু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই তুরস্কের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পেলে তা ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই কারণেই দিল্লি গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত সহযোগিতা অনেকটাই বৃদ্ধি করেছে নয়াদিল্লি। তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক গ্রিস সফরেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল। ফলে আমেরিকা-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যেই ভারতও নিজের কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

অপরাধীদের আর কোনও ছাড় নয়....! বারুইপুরে এনকাউন্টার নিয়ে বিস্ফোরক শমীক

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেই সময় চারপাশে প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকার ছিল। অভিযোগ, ওই সুযোগে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত একটি গুলিও চালায়। এরপর আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অপরাধীদের কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি কামদুনি মামলার তদন্ত নতুন করে শুরু করার দাবিও জানান। বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকারও বলেন, অভিযুক্তের মৃত্যু এক ধরনের কঠোর বিচার বলে তিনি মনে করেন।এদিকে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এসেছে অত্যন্ত নৃশংস ঘটনার ছবি। সূত্রের দাবি, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর মাথায় আঘাত করা হয়। তারপর তাকে জলে ফেলে দেওয়া হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, জলে ডুবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, এই মামলার তদন্ত দ্রুত এগোচ্ছে। ধৃত অন্য অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে গভীর রাতে বড় মোড়! এনকাউন্টারে মৃত্যু অভিযুক্তের, যা বললেন নিহত নাবালিকার বাবা

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া জানালেন নিহত নাবালিকার বাবা। তিনি জানান, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের তদন্তের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসেও তিনি সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের দাবি, পালানোর সময় সে এক রাউন্ড গুলিও চালায়। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অভিযুক্তের মৃত্যুর পর নিহত নাবালিকার বাবা বলেন, পুলিশের উপর তাঁর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। সেই প্রতিশ্রুতির উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁর কথায়, পুলিশ না থাকলে তদন্ত এত দ্রুত এগোত না। তিনি আরও বলেন, তদন্তে এখনও যাঁরা জড়িত, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাঁর একমাত্র দাবি, এই নৃশংস অপরাধে জড়িত প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।নিহত নাবালিকার এক আত্মীয়ও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও তাঁদের জানানো হয়েছে।এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠিক কী কারণে পুলিশ এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছিল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তদন্তে বড় মোড় এসেছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম এক অভিযুক্তের। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করার পাশাপাশি এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে সে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে আচমকা পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর বন্দুক কেড়ে নিয়ে এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। সেই গুলিতেই অভিযুক্ত গুরুতর জখম হয়।পুলিশ জানিয়েছে, আহত অবস্থায় অভিযুক্তকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই অভিযুক্তকেই আগে প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে নাবালিকার সঙ্গে শেষবার দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের সময়ও ওই অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং পুকুর থেকে দেহ উদ্ধারে পুলিশকে সাহায্য করেছিল।উল্লেখ্য, শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত বিচার এবং দোষীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছিলেন।এদিকে একই মামলায় বড় সাফল্য পেয়েছে তদন্তকারী দল। এতদিন পলাতক থাকা চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ বাহিনী, জেলা পুলিশ এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের যৌথ অভিযানে বসিরহাট থেকে তাকে ধরা হয়। মোবাইল ফোনের অবস্থান অনুসরণ করেই অভিযুক্তের খোঁজ পায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেপ্তারের ফলে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal